জানুন ফ্যাটি লিভার সমস্যা সম্পর্কে

    যকৃত বা লিভারে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। এই সমস্যাগুলোর মধ্যে ফ্যাটি লিভার অন্যতম সমস্যা। বর্তমানে খাদ্যাভ্যাসের কারণে এই সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।  

    বিভিন্ন দেশে অ্যালকোহলের কারণে এই সমস্যা দেখা দিলেও এটি নন- অ্যালকোহলিক মানুষকেও আক্রান্ত করতে পারে। মূলত লিভারে চর্বি বাড়া ও জমার কারণে এটি হয়ে থাকে। তবে চিকিৎসকদের মতে এটি লিভারের একটি খুবই সাধারণ সমস্যা।

    স্থূলতা, ডায়বেটিকস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে ফ্যাটি লিভার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া শারীরিক কার্যকলাপ না থাকলে, অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার গ্রহণে যকৃত বা লিভারে চর্বি জমে পরে তা ব্যপক হারে বৃদ্ধি পেয়ে ফ্যাটি লিভারে ধারণ করে।

    ফ্যাটি লিভারের কারণে পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, খুব অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পরা, অস্বস্তি ইত্যাদি হয়ে থাকে। লক্ষণ বুঝে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত কিনা তা জানা যায়। অনেক সময় ফ্যাটি লিভারের কারণে রোগী লিভার ক্যান্সার বা লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ দেখলেই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযত সেবা গ্রহণ করাই উত্তম।

    ফ্যাটি লিভার আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে প্রায় দেখা যায় ডায়বেটিকস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলে আক্রান্ত থাকে। এছাড়া স্থূলতা ফ্যাটি লিভারের এক্তিই অন্যতম কারণ। এই সমস্যা শুধু প্রাপ্তবয়স্করাই আক্রান্ত হয়না। এই সমস্যা শিশু এবং বয়স্কদের মধ্যেও দেখা যায়।

    সম্প্রতি মলিকিউলার সায়েন্সেস জার্নালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ পেডিয়াট্রিক জনসংখ্যার ১০ থেকে ২০ শতাংশ এবং স্থূলকায় প্রায় ৫০ থেকে ৮০ শতাংশই ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত।    

    অস্বাস্থ্যকর খাবার না খেয়ে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পরিমিত খাদ্য গ্রহণ, শারীরিক কার্যকলাপ ইত্যাদির মাধ্যমে এই সমস্যা সহজে দূর করা যায়।