সতর্ক থাকুন জিকা ভাইরাস থেকে

    ল্যটিন আমেরিকার দেশগুলোতে জিকা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হলেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এখনও এ ভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হয়েছে বলে শোনা যায়নি। তবেগত ৩০ আগস্ট সিঙ্গাপুরের সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী দেশটিতে এই পর্যন্ত ১১৫ জনের জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কথা নিশ্চিত হওয়া গেছে যাদের মধ্যে ছয়জন বাংলাদেশি। সুতরাং এখন আর বিষয়টিকে অবহেলা করার সুযোগ নেই।

    এছাড়া জিকা ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশসহ সব দেশেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্কতা জারি করেছে। এডিস মশার মাধ্যমে এই জিকা ভাইরাস ছড়ায়। এ মশা ডেঙ্গুর ভাইরাসও ছড়িয়ে থাকে।

    জিকা ভাইরাসের আক্রান্ত হলে পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যেই সেরে যায় তবে এটি একজন গর্ভবতী নারীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা একজন গর্ভবতী নারী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে গর্ভবস্থায় শিশুর মস্তিষ্কের পরিপূর্ণ বিকাশে বাঁধা সৃষ্টি করে। এছাড়া জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মাথা ব্যথা, জ্বর, চোখ ওঠা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, পেশীতে ব্যথা অনুভব করা, ত্বক লাল হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষ্যণ দেখা যায়।

    এই ভাইরাস দমনে এখন পর্যন্ত কোন সুনিদিষ্ট টিকা বা ঔষধ আবিষ্কার হইনি। এই ভাইরাস থেকে প্রতিকারের জন্য ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে যেন মশার বংশ বিস্তার না হয়। ঘরের বাইরের ঝোপঝাড় পরিষ্কার পরিছন্ন রাখতে হবে। মশানাশক ঔষধ ব্যবহার করতে হবে। এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগীকে প্রচুর পানি পান করতে হবে, বিশ্রাম নিতে হবে। এই ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সচেতনতা এবং সতর্কতা অবলম্বন করুন।