ক্যান্সার ঝুঁকি বাড়ায় ইলেক্ট্রনিক সিগারেট

    বর্তমানে ধূমপায়ীদের মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে ই-সিগারেট বা ইলেক্ট্রনিক সিগারেট। ধূমপানের অভ্যাস কমিয়ে আনতে অনেকেই এই ই-সিগারেট ব্যবহার করে থাকে। এছাড়া প্রতিদিন সিগারেট কেনার ঝামেলা এড়াতে এটি ব্যবহার করে থাকে অনেকেই।

    সম্প্রতি এনভাইরোমেন্টাল সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, ই-সিগারেটে যে ধোঁয়া উৎপন্ন হয় তাতে দুটি অসনাক্ত রাসায়নিক উপাদান বিদ্যমান যা সাধারণ সিগারেটের তুলনায় বেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তথ্য অনুযায়ী, ই-সিগারেটে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদানের মাত্রা বেশি থাকে।

    লরেন্স বার্কলে ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির গবেষকগণ ইলেকট্রিক সিগারেটের ধোঁয়া বা বাষ্প বিশ্লেষণ করে। এতে দেখা যায়, ই-সিগারেট থেকে উৎপন্ন ধোঁয়ায় প্রায় ৩১ টি ক্ষতিকারক রাসায়নিক উপাদান আছে। এর মধ্যে দুইটি ক্যান্সারে আক্রান্ত করার উপাদান যা আগে কোথাও পাওয়া যায়নি। তাছাড়া পূর্ববর্তী গবেষণায় ইতিমধ্যে দেখা গেছে, ইলেক্ট্রনিক সিগারেটে টক্সিক নামক রাসায়নিক উপাদান বিদ্যমান।

    বিশেষজ্ঞদের মতে ই-সিগারেট সাধারণ সিগারেটের তুলনায় ক্ষতিকারক। এই সিগারেটের ধোঁয়ায় রয়েছে সূক্ষ রাসায়নিক কণা যা মানবদেহের শিরাগুলোকে বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    অনেকেই ধুমাপানের অভ্যাস দূর করতে ই-সিগারেট গ্রহণ করেন। সাধারণত নিকোটিনের আসক্তির কারণেই মানুষ ধূমপান করে থাকে। সাধারণ সিগারেট এবং ই-সিগারেট দুটিতেই নিকোটিন রয়েছে। সুতরাং এই দুটিই মানুষের শরীরের ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। তাই ধূমপানের অভ্যাস দূর করতে ই-সিগারেট ব্যবহার না করাই ভাল। চেষ্টা করুন নিকোটিনের ওপর নির্ভরশীল না হওয়ার।